ম্যানেজমেন্ট্‌

        ১৮৯৯ সালে মিঃ হেনরি লেনক্স নামে একজন ব্রিটিশ পাইওনীয়ের এই চাবাগানের স্রষ্টা । যা পরবর্তী কালে মিঃ জি ডবলু ব্রেন এর হাতে স্থানান্তরিত হয় । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরে নেপালের শাসক পরিবার এই বাগান কিনে নেয় । মিঃ মহাবির প্রসাদ ও কেজরিওয়াল এর পরিবার বাগান পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ায় শেষ ৪০ বছরে চাষ এবং কারখানার অনেক উন্নতি হয় । বর্তমান পরিচালকগনের সাথে ম্যানেজ়িং পার্টনার মিঃ অশোক কুমার চা উতপাদনের সাথে সাথে প্রশাসনিক মান কে অনেক উন্নত করেছেন । যখন গুমটি চা সংগ্রহ করে মোড়কে রাখা হয় এবং বিক্রি করা হয় তখন থেকেই সমস্ত তথ্য প্রতি স্তরে রেকর্ড রাখা হয় এবং প্রাত্যহিক রিপর্ট তৈরি করা হয় । চা তৈরীর সময় থেকে শুরু করে আবহাওয়া সুষ্ক করা ইত্যাদি সব কিছু তথ্য ডকুমেন্ট হিসাবে লেখা থাকে এবং প্রথমত: একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয় । যার ফলে গুমটি চা সেরা গুনমানের চা হিসাবে পরিচিত হয়েছে ।

        গুমটি চা এর সাথে যুক্ত কর্মীরা এবং তাদের পরবর্তী প্রজন্ম একটি পরিবারে পরিনত হয়েছে । সাকল কর্মীরা এবং তাদের পরিবার বিনামূল্যে থাকা চিকিতসার সুযোগ এবং অত্যন্ত কম দামে খাদ্যশষ্য পেয়ে থাকে । কোন নাবালক কর্মী রাখা হয়না । পূরুষ এবং মহিলা কর্মীরা সমান বেতন পায় । শতকরা অন্যান্য বাগানের কর্মীদের থেকে এদের সু্যোগ সুবিধা অনেক বেশী । মহিলা কর্মীদের জন্য প্রসুতি সুবিধা আছে এবং বাচ্চাদের জন্য বিদ্যালয়ের ব্যাবস্থা আছে।