টুরিজিম্‌ ইন দার্জিলিং

        কলকাতা বা দিল্লী থেকে এখানে আসতে বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামতে হয়। নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে ষ্টেশনের সাথে ট্রেনে সারা শহরের যোগাযোগ আছে। আর এখান থেকে ট্যাকসি তে তিন ঘন্টায় দার্জিলিং পৌছান যায়।




       আর চার পাঁচ কামড়ার ছোট্ট, বড় বড় জালনা বিশিষ্ট টয় ট্রেনেও পাহাড়ের গা ঘেষে আস্তে আস্তে দার্জিলিং পৌছান যায়। ন্যারো গেজের এই ট্রেনকেই ট্রয় ট্রেন বলা হয়। অনেক পর্যটক এই রোমাঞ্চকর যাত্রা কে পছন্দ করে।

        ট্রেন আস্তে আস্তে ঝিক ঝিক শব্দ করে পাহাড়ের গা বেয়ে যখন যায় তখন সবুজ নানারকম গাছে পাহাড় ঢেকে যায়। যত উপরে যাবে গাছগাছড়া পরিবর্তন হবে এবং চা বাগানে প্রবেশ করবে।

দার্জিলিং এর একটি বৌদ্ধ মঠ

        গয়াবাড়ি, মহানদী প্রভৃতি চা বাগানে ঘেরা অপূর্ব সুন্দর স্টেশন। দুপাশের ঢাল বেয়ে চা গাছের ঝোপ সকল কে মুগ্ধ করে। এখানকার আবহাওয়া, মাটি এবং ঠান্ডা পরিবেশের মিশ্রন যা সুগন্ধী চা উতপাদনের ক্ষেত্রে আদর্শ এবং যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।

        ট্রেন এরপর একটি ব্যস্ত স্টেশন কার্শিয়াং এ ঢোকে। এখানে পরপর চা চায়ের দোকান, বোর্ডিং স্কুল এবং সবচেয়ে পুরান ফরেস্ট্রি কলেজ অবস্থিত। দার্জিলিং পাহাড়ের সবচেয়ে আদ্র জায়গা কার্শিয়াং যার নাম 'ল্যান্ড অফ দা হোয়াট অর্কিড'।